Header Ads

Header ADS

WAHED TEACHING HOUSE, AL- HADIS

 পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ফজর ও আসর সালাতের ফযীলত এবং এ দুটির প্রতি যত্নবান হওয়া

১৩২০-(২১১/৬৩৩) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসেছিলাম। এক সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই (জান্নাতে) তো তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহ তা'আলাকে এমন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবে যেন এ চাঁদকে অবাধে দেখতে পাচ্ছ। (সুতরাং যদি এরূপ চাও) তাহলে সাধ্যমত সূর্যোদয়ের পূর্বের সালাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সালাত উত্তম সময়ে আদায়ের মাধ্যমে আয়ত্তে রাখ। এ কথা দ্বারা তিনি ফজর ও আসরের সালাত বুঝালেন। অতঃপর জারীর ইবনু আবদুল্লাহ এ আয়াতটি পাঠ করলেন, وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا‏ তুমি তোমার প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা ও প্রশংসা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে (সূরাহঃ ত্ব-হা ২০ঃ ১৩০) (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩০৭, ইসলামীক সেন্টার ১৩১৯)

باب فَضْلِ صَلاَتَىِ الصُّبْحِ وَالْعَصْرِ وَالْمُحَافَظَةِ عَلَيْهِمَا ‏

وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَهُوَ يَقُولُ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ نَظَرَ إِلَى الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ فَقَالَ ‏"‏ أَمَا إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا الْقَمَرَ لاَ تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي الْعَصْرَ وَالْفَجْرَ ثُمَّ قَرَأَ جَرِيرٌ ‏(‏ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا‏)‏ ‏.‏


৭৩২৮ | সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭৩২৮-(১৬/২৯৬৮) মুহাম্মদ ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাব? জবাবে তিনি বললেন, আকাশে মেঘ না থাকাবস্থায় দুপুরের সময় সূর্য দেখতে তোমাদের কোন কষ্ট হয় কি? সহাবাগণ বললেন, জী না। অতঃপর তিনি বললেন, আকাশে মেঘ না থাকাবস্থায় পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে তোমাদের কোন কষ্ট হয় কি? সহাবাগণ বললেন, জী না। তারপর তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যার হাতে আমার জীবন! চন্দ্ৰ-সূৰ্য কোন একটি দেখতে তোমাদের যেরূপ কষ্ট হয় না, তোমাদের রবকেও দেখতে তোমাদের ঠিক তদ্রুপ কষ্ট হবে না। আল্লাহর সাথে বান্দার সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! আমি কি তোমাকে সম্মান দান করিনি, কর্তৃত্ব দান করিনি, জোড়া মিলিয়ে দেইনি, ঘোড়া-উট তোমার কাজে লাগিয়ে দেইনি এবং সুখ-স্বাচ্ছদের মাঝে তোমার পানাহারের ব্যবস্থা করিনি? জবাবে বান্দা বলবে, হ্যাঁ, হে আমার রব। তারপর তিনি বলবেন, তুমি কি মনে করতে যে, তুমি আমার মুখোমুখী হবে? সে বলবে, না, তা মনে করতাম না। তিনি বললেন, তুমি যেরূপভাবে আমাকে ভুলে গিয়েছিলে তদ্রুপভাবে আমিও তোমাকে ভুলে যাচ্ছি।

অতঃপর দ্বিতীয় অপর এক ব্যক্তির আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি তাকেও বলবেন, হে অমুক! আমি কি তোমাকে সম্মান দান করিনি, নেতৃত্ব দেইনি, তোমার পরিবার (জোড়া মিলিয়ে) দেইনি, উট-ঘোড়া তোমার কাজে লাগিয়ে দেইনি এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে পানাহারের জন্য তোমাকে কি সুবিধা করে দেইনি? সে বলবে, হ্যাঁ করেছেন। হে আমার পালনকর্তা! তারপর তিনি বললেন, আমার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে এ কথা তুমি মনে করতে? সে বলবে, না। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি যেমন আমাকে ভুলে গিয়েছিলে অনুরূপভাবে আমিও তোমাদেরকে ভুলে যাব। তারপর তৃতীয় অপর এক ব্যক্তির আল্লাহর সাথে দেখা হবে। এরপর তিনি আগের মতো অবিকল বলবেন। তখন লোকটি বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার প্রতি এবং কিতাব ও রসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছি। আমি সালাত আদায় করেছি, সাওম পালন করেছি এবং সদাকাহ করেছি। এমনিভাবে সে যথাসাধ্য নিজের প্রশংসা করবে। এমতাবস্থায় আল্লাহ তা’আলা বলবেন, এখনই তোমার মিথ্যা প্রকাশিত হয়ে যাবে।

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তারপর তাকে বলা হবে, এখনই আমি তোমার উপর আমার সাক্ষী উপস্থিত করব। তখন বান্দা মনে মনে চিন্তা করতে থাকবে যে, কে তার বিপক্ষে সাক্ষী দিবে? তখন তার জবান বন্ধ করে দেয়া হবে এবং তার উরু, গোশত ও হাড়কে বলা হবে, তোমরা কথা বলো। ফলে তার উরু, গোশত ও হাড় তার আমলের ব্যাপারে বলতে থাকবে। এ ব্যবস্থা এজন্য করা হবে যেন, আত্মপক্ষ সমর্থন করার কোন সুযোগ তার অবশিষ্ট না থাকে। এ ব্যক্তি হচ্ছে মুনাফিক যার প্রতি আল্লাহ তা’আলা অসন্তুষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১৬৯, ইসলামিক সেন্টার ৭২২২)

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ نَرَى رَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ ‏"‏ هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ فِي الظَّهِيرَةِ لَيْسَتْ فِي سَحَابَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَهَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ لَيْسَ فِي سَحَابَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ رَبِّكُمْ إِلاَّ كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا - قَالَ - فَيَلْقَى الْعَبْدَ فَيَقُولُ أَىْ فُلْ أَلَمْ أُكْرِمْكَ وَأُسَوِّدْكَ وَأُزَوِّجْكَ وَأُسَخِّرْ لَكَ الْخَيْلَ وَالإِبِلَ وَأَذَرْكَ تَرْأَسُ وَتَرْبَعُ فَيَقُولُ بَلَى ‏.‏ قَالَ فَيَقُولُ أَفَظَنَنْتَ أَنَّكَ مُلاَقِيَّ فَيَقُولُ لاَ ‏.‏ فَيَقُولُ فَإِنِّي أَنْسَاكَ كَمَا نَسِيتَنِي ‏.‏ ثُمَّ يَلْقَى الثَّانِيَ فَيَقُولُ أَىْ فُلْ أَلَمْ أُكْرِمْكَ وَأُسَوِّدْكَ وَأُزَوِّجْكَ وَأُسَخِّرْ لَكَ الْخَيْلَ وَالإِبِلَ وَأَذَرْكَ تَرْأَسُ وَتَرْبَعُ فَيَقُولُ بَلَى أَىْ رَبِّ ‏.‏ فَيَقُولُ أَفَظَنَنْتَ أَنَّكَ مُلاَقِيَّ فَيَقُولُ لاَ ‏.‏ فَيَقُولُ فَإِنِّي أَنْسَاكَ كَمَا نَسِيتَنِي ‏.‏ ثُمَّ يَلْقَى الثَّالِثَ فَيَقُولُ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ فَيَقُولُ يَا رَبِّ آمَنْتُ بِكَ وَبِكِتَابِكَ وَبِرُسُلِكَ وَصَلَّيْتُ وَصُمْتُ وَتَصَدَّقْتُ ‏.‏ وَيُثْنِي بِخَيْرٍ مَا اسْتَطَاعَ فَيَقُولُ هَا هُنَا إِذًا - قَالَ - ثُمَّ يُقَالُ لَهُ الآنَ نَبْعَثُ شَاهِدَنَا عَلَيْكَ ‏.‏ وَيَتَفَكَّرُ فِي نَفْسِهِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْهَدُ عَلَىَّ فَيُخْتَمُ عَلَى فِيهِ وَيُقَالُ لِفَخِذِهِ وَلَحْمِهِ وَعِظَامِهِ انْطِقِي فَتَنْطِقُ فَخِذُهُ وَلَحْمُهُ وَعِظَامُهُ بِعَمَلِهِ وَذَلِكَ لِيُعْذِرَ مِنْ نَفْسِهِ ‏.‏ وَذَلِكَ الْمُنَافِقُ وَذَلِكَ الَّذِي يَسْخَطُ اللَّهُ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏


৩৪৫ | সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ৭৭. আখিরাতে মু'মিনগন তাদের প্রতিপালককে দেখতে পাবে

৩৪৫। নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী, আবূ গাসনান আল মিসমাঈ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ দুটি জান্নাত এমন যে, এগুলোর পাত্রাদি ও সমুদয় সামগ্রী রুপার তৈরি। অন্য দুটি জান্নাত এমন, যেগুলোর পাত্রাদি ও সমুদয় সামগ্রী স্বর্ণের তৈরি। “আদন” নামক জান্নাতে জান্নাতিগণ আল্লাহর দীদার লাভ করবেন। এ সময় তাঁদের ও আল্লাহর মাঝে তাঁর মহিমার চাঁদর ব্যতীত আর কোন অন্তরায় থাকবে না।

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَأَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ جَمِيعًا عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ، - وَاللَّفْظُ لأَبِي غَسَّانَ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الصَّمَدِ، - حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ جَنَّتَانِ مِنْ فِضَّةٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا وَجَنَّتَانِ مِنْ ذَهَبٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا وَمَا بَيْنَ الْقَوْمِ وَبَيْنَ أَنْ يَنْظُرُوا إِلَى رَبِّهِمْ إِلاَّ رِدَاءُ الْكِبْرِيَاءِ عَلَى وَجْهِهِ فِي جَنَّةِ عَدْنٍ ‏"‏ ‏.‏


৩৪৬ | সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ৭৭. আখিরাতে মু'মিনগন তাদের প্রতিপালককে দেখতে পাবে

৩৪৬। উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর ইবনু মায়সারা (রহঃ) ... সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ জান্নাতিগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন তখন আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে বলবেনঃ তোমরা কি চাও আমি আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেই? তারা বলবেঃ আপনি কি আমাদের চেহারা আলোকোজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জান্নাতে দাখিল করেননি এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দেননি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এরপর আল্লাহ তা’আলা আবরণ তুলে নিবেন। আল্লাহর দীদার অপেক্ষা অতি প্রিয় কোন বস্তু তাদের দেওয়া হয়নি।

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ - قَالَ - يَقُولُ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى تُرِيدُونَ شَيْئًا أَزِيدُكُمْ فَيَقُولُونَ أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا أَلَمْ تُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ - قَالَ - فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ فَمَا أُعْطُوا شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَى رَبِّهِمْ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏


 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ সুহায়ব আর্ রূমী (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
  
৪৭২৯ | সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)

পরিচ্ছেদঃ ২০. আল্লাহর দর্শন লাভ

৪৭২৯। জারীর ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসা ছিলাম। তিনি চৌদ্দ তারিখের রাতে পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে যেমন তোমরা এ চাঁদকে দেখছো, আর একে দেখতে তোমাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। যদি তোমরা সূর্যদয়ের ও সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত আদায়ে পরাভূত না হও তাহলে তা আদায় করে নাও। অতঃপর তিনি এ আয়াত পাঠ করলেনঃ ‘‘সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ করো।’’[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرُّؤْيَةِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، وَوَكِيعٌ، وَأَبُو أُسَامَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جُلُوسًا، فَنَظَرَ إِلَى الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ لَيْلَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ، فَقَالَ: إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا لَا تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لَا تُغْلَبُوا عَلَى صَلَاةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الْآيَةَ فَ (سَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا) [طه: ١٣٠]

صحيح


 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
  
৪৬৫৪ | সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ২০. মহান আল্লাহর দীদার সম্পর্কে।

৪৬৫৪. উছমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) ..... জারীর ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসেছিলাম। এ সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলেনঃ অচিরেই তোমরা তোমাদের রবকে দেখবে, যেরূপ তোমরা এ চাঁদকে দেখছো। তোমাদের রবের দর্শনে তোমাদের কোন কষ্ট হবে না। কাজেই, যদি তোমাদের জন্য সম্ভব হয়, তবে তোমরা সূর্য উঠার আগের এবং সুর্য ডুবার আগের সালাত (ফজর ও আসর) যথাযথভাবে আদায় করবে। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পাঠ করেনঃ পবিত্রতা বর্ণনা কর তোমার রবের, সূর্য উঠার আগে এবং সূর্য ডুবার আগে।

باب فِي الرُّؤْيَةِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، وَوَكِيعٌ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جُلُوسًا فَنَظَرَ إِلَى الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ لَيْلَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا لاَ تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ ‏(‏ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ‏)‏


৪৬৫৫ | সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ২০. মহান আল্লাহর দীদার সম্পর্কে।

৪৬৫৫. ইসহাক ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কি আমাদের মহান রবকে কিয়ামতের দিন দেখতে পাব? তিনি বলেনঃ যখন আকাশে কোন মেঘ থাকে না, তখন দুপুরের সূর্য দেখতে তোমাদের কি কোন অসুবিধা হয়? তারা বলেনঃ না এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পূর্ণিমার রাতে আকাশে যখন কোন মেঘ থাকে না, তখন ঐ চাঁদকে দেখতে তোমাদের কি কোন অসুবিধা হয়? তারা বলেনঃ না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যাঁর নিয়ন্ত্রণে আমার জীবন, তাঁর শপথ! সূর্য ও চাঁদ দেখতে তোমাদের যেমন অসুবিধা হয় না, এরূপ মহান আল্লাহ্‌র দর্শনে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না।

باب فِي الرُّؤْيَةِ

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ نَاسٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَرَى رَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ ‏"‏ هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ فِي الظَّهِيرَةِ لَيْسَتْ فِي سَحَابَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ لَيْسَ فِي سَحَابَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ إِلاَّ كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا ‏"‏ ‏.‏


 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
  
২৫৫২ | সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)

পরিচ্ছেদঃ ১৬. আল্লাহ তা’আলার দীদার (সাক্ষাৎ) লাভ

২৫৫২। সুহাইব (রাযিঃ) হতে আল্লাহ তা'আলার বাণী “যারা মঙ্গলজনক কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে মঙ্গল এবং আরো অধিক”— (সূরা ইউনুস ২৬) প্রসঙ্গে বর্ণিত। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশের পর একজন আহবানকারী (ফেরেশতা) ডেকে তারা (জান্নাতীরা) বলবে, তিনি কি আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাননি? ফেরেশতারা বলবেন, হ্যাঁ। তারপর পর্দা খুলে যাবে (এবং আল্লাহ তা'আলার সাক্ষাৎ সংঘটিত হবে)। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! তিনি মানুষকে তার সাক্ষাতের চেয়ে বেশি পছন্দনীয় ও আকাক্তিক্ষত কোন জিনিসই প্রদান করেননি।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৮৭), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) মুসনাদ ও মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সুলাইমান ইবনুল মুগীরা এই হাদীসটি সাবিত আল বুনানীর বরাতে আব্দুর রহমান ইবনু আবু লাইলার বক্তব্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِه‏:‏ ‏(‏لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ ‏)‏ قَالَ ‏"‏ إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ نَادَى مُنَادٍ إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ مَوْعِدًا ‏.‏ قَالُوا أَلَمْ يُبَيِّضْ وُجُوهَنَا وَيُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ قَالُوا بَلَى ‏.‏ قَالَ فَيُكْشَفُ الْحِجَابُ قَالَ فَوَاللَّهِ مَا أَعْطَاهُمْ شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ إِنَّمَا أَسْنَدَهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَرَفَعَهُ ‏.‏ وَرَوَى سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ وَحَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَوْلَهُ ‏.‏


২৫৫১ | সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ জান্নাতের বাজার।

২৫৫১. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ... সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি একদিন আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহুর কাছে দো’আ করি তিনি যেন আমাকে এবং তোমাকে জান্নাতের বাজারে একত্রিত করেন। সাঈদ বললেনঃ সেখানে কি বাজারও হবে?

তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে অবহিত করেছেন যে, জান্নাতীগণ জান্নাতে দাখিল হওয়ার পর নিজ নিজ আমলের আধিক্য অনুসারে বাসস্থানে অবতরণ করবে। পরে দুনিয়ার দিন হিসাবে প্রতি জুমু’আ বারের পরিমাণনুসারে তাদের (যিয়ারতের) অনুমতি দেওয়া হবে, তারা তাদের পরওয়ারদিগারের যিয়ারতে আসবে। তাদের জন্য তাঁর ’আরশ প্রকাশ করা হবে, জান্নাতের উদ্যানসমূহের একটিতে তাদের সমক্ষে পরওয়ারদিগারের তাজাল্লীর প্রকাশ ঘটবে। তাদের জন্য নূরের মিম্বর, মোতির মিম্বর, ইয়াকুতের মিম্বর, যাবারজাদের মিম্বর, স্বর্ণের মিম্বর, রূপার মিম্বর স্থাপন করা হবে। তাদের সবচেয়ে’ কম দরজার যিনি- তিনিও মিশক আম্বর ও কাফূরের স্তুপে উপবেশন করবেন। তবে জান্নাতের কেউ-ই হীন নন। সিংহাসন ওয়ালাদেরকে তারা নিজেদের চেয়ে আসনের দিক দিয়ে অধিক মর্যাদাবান বলে ভাববে না।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আমাদের পরওয়ারদিগারের দর্শন পাব? তিনি বললেনঃ হ্যা। সূর্য বা পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি তোমাদের মাঝে কোন সন্দেহহের সৃষ্টি হয়? আমরা বললামঃ না। তিনি বললেনঃ তেমনিভাবে তোমাদের পরওয়ারদিগারের দীদারেও কোন সন্দেহ ঘটবে না। ঐ মজলিসে এমন কোন ব্যক্তি বাকী থাকবে না যার সঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলার কথোপকথন না হবে।

এমনকি তাদের জনৈক ব্যক্তিকে তিনি বললেনঃ হে অমুকের ছেলে অমুক, অমুক দিন তুমি অমুক অমুক কথা বলেছিলে তা কি মনে পড়ে? দুনিয়ার যিন্দিগীর কিছু অপরাধমূলক আচরণের কথা তাকে তিনি স্মরণ করিয়ে দিবেন। তখন সেই ব্যক্তি বলবেঃ হে রব, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন নাই কি? তিনি বললেনঃ অবশ্যই আমার উদার মাগফিরাতের বদৌলতেই তো তুমি এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছ। এই অবস্থায় হঠাৎ তাদের উপর দিয়ে এক খন্ড মেঘ এসে তাদের ঢেকে ফেলবে। সেই মেঘ থেকে তাদের উপর সুগন্ধি বারি বর্ষিত হবে। এমন সুগন্ধ তারা কোন দিন কিছুতে পায় নাই।

আমাদের রব বলবেনঃ তোমাদের সম্মানে মেহমানদারীতে যা আমি তোমাদের জন্য তৈরী করেছি সে দিকে উঠে এস এবং যা মন চায় তা তুলে নাও। আমরা তখন বেহেশতী বিপণিতে আসব। ফিরিশতারা তা ঘিরে রাখবেন। তাতে এমন সব জিনিস থাকবে চক্ষু সেইরূপ কিছু দেখেনি কোন দিন, কান কোন দিন যা শোনেনি, মনে কোন ধারণাও হয়নি। আমাদের যা যা মন চাইবে সবই তুলে দেওয়া হবে আমাদের। সেখানে কেনাবেচা হবে না কিছুর। এই বিপণি বিতানেই জান্নাতীদের পরস্পর সাক্ষাৎ হবে। তিনি আরো বলেনঃ একজন উচ্চ মর্যাদার অধিকারী জান্নাতী ব্যক্তির হয়ত তার চেয়ে নিম্ন স্তরের কোন জান্নাতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে। জান্নাতীদের মধ্যে অবশ্য নিকৃষ্ট কেউ নেই। তখন তার গায়ের পোষাক-পরিচ্ছদ দেখে সে বিহ্বল হয়ে যাবে। অপরজন তার কথা শেষ করতেও পারবে না; এদিকে তার ধারণা হবে যা, তারটিই অধিক সুন্দর। কেননা, সেখানে কারো দুঃখিত হওয়ার অবাকশ নেই।

এরপর আমরা নিজ নিজ আবাসে ফিরে আসব। স্ত্রীগণ এসে অভ্যর্থনা জানাবে। বলবে, মারহাবা ওয়া আহলান- স্বাগতম শুভেচ্ছা। আমাদের নিকট থেকে যখন গিয়েছিলেন সে সময়ের তুলনায় এখন আপনারা আরো সুন্দর হয়ে ফিরে এসেছেন। তখন আমরা বলব, আমরা তো আজ মহাপরাক্রমশালী আমাদের প্রভুর মজলিসে বসেছি। তাই যেরূপে ফিরে এসেছি সেরূপে ফিরে আসাই তো আমাদের জন্য স্বাভাবিক। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৪৩৩৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।

بَابُ مَا جَاءَ فِي سُوقِ الجَنَّةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ حَبِيبِ بْنِ أَبِي الْعِشْرِينَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ لَقِيَ أَبَا هُرَيْرَةَ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَسْأَلُ اللَّهَ أَنْ يَجْمَعَ، بَيْنِي وَبَيْنَكَ فِي سُوقِ الْجَنَّةِ ‏.‏ فَقَالَ سَعِيدٌ أَفِيهَا سُوقٌ قَالَ نَعَمْ أَخْبَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَنَّ أَهْلَ الْجَنَّةِ إِذَا دَخَلُوهَا نَزَلُوا فِيهَا بِفَضْلِ أَعْمَالِهِمْ ثُمَّ يُؤْذَنُ فِي مِقْدَارِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ مِنْ أَيَّامِ الدُّنْيَا فَيَزُورُونَ رَبَّهُمْ وَيُبْرِزُ لَهُمْ عَرْشَهُ وَيَتَبَدَّى لَهُمْ فِي رَوْضَةٍ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ فَتُوضَعُ لَهُمْ مَنَابِرُ مِنْ نُورٍ وَمَنَابِرُ مِنْ لُؤْلُؤٍ وَمَنَابِرُ مِنْ يَاقُوتٍ وَمَنَابِرُ مِنْ زَبَرْجَدٍ وَمَنَابِرُ مِنْ ذَهَبٍ وَمَنَابِرُ مِنْ فِضَّةٍ وَيَجْلِسُ أَدْنَاهُمْ وَمَا فِيهِمْ مِنْ دَنِيٍّ عَلَى كُثْبَانِ الْمِسْكِ وَالْكَافُورِ وَمَا يُرَوْنَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَرَاسِيِّ بِأَفْضَلَ مِنْهُمْ مَجْلِسًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهَلْ نَرَى رَبَّنَا قَالَ ‏"‏ نَعَمْ قَالَ هَلْ تَتَمَارَوْنَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ كَذَلِكَ لاَ تَتَمَارَوْنَ فِي رُؤْيَةِ رَبِّكُمْ وَلاَ يَبْقَى فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ رَجُلٌ إِلاَّ حَاضَرَهُ اللَّهُ مُحَاضَرَةً حَتَّى يَقُولَ لِلرَّجُلِ مِنْهُمْ يَا فُلاَنُ ابْنَ فُلاَنٍ أَتَذْكُرُ يَوْمَ قُلْتَ كَذَا وَكَذَا فَيُذَكِّرُهُ بِبَعْضِ غَدَرَاتِهِ فِي الدُّنْيَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ أَفَلَمْ تَغْفِرْ لِي فَيَقُولُ بَلَى فَبِسِعَةِ مَغْفِرَتِي بَلَغْتَ مَنْزِلَتَكَ هَذِهِ ‏.‏ فَبَيْنَمَا هُمْ عَلَى ذَلِكَ غَشِيَتْهُمْ سَحَابَةٌ مِنْ فَوْقِهِمْ فَأَمْطَرَتْ عَلَيْهِمْ طِيبًا لَمْ يَجِدُوا مِثْلَ رِيحِهِ شَيْئًا قَطُّ وَيَقُولُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى قُومُوا إِلَى مَا أَعْدَدْتُ لَكُمْ مِنَ الْكَرَامَةِ فَخُذُوا مَا اشْتَهَيْتُمْ ‏.‏ قَالَ فَنَأْتِي سُوقًا قَدْ حَفَّتْ بِهِ الْمَلاَئِكَةُ فِيهِ مَا لَمْ تَنْظُرِ الْعُيُونُ إِلَى مِثْلِهِ وَلَمْ تَسْمَعِ الآذَانُ وَلَمْ يَخْطُرْ عَلَى الْقُلُوبِ فَيُحْمَلُ لَنَا مَا اشْتَهَيْنَا لَيْسَ يُبَاعُ فِيهَا وَلاَ يُشْتَرَى وَفِي ذَلِكَ السُّوقِ يَلْقَى أَهْلُ الْجَنَّةِ بَعْضُهُمْ بَعْضًا قَالَ فَيُقْبِلُ الرَّجُلُ ذُو الْمَنْزِلَةِ الْمُرْتَفِعَةِ فَيَلْقَى مَنْ هُوَ دُونَهُ وَمَا فِيهِمْ دَنِيٌّ فَيَرُوعُهُ مَا يَرَى عَلَيْهِ مِنَ اللِّبَاسِ فَمَا يَنْقَضِي آخِرُ حَدِيثِهِ حَتَّى يَتَخَيَّلَ إِلَيْهِ مَا هُوَ أَحْسَنُ مِنْهُ وَذَلِكَ أَنَّهُ لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَحْزَنَ فِيهَا ثُمَّ نَنْصَرِفُ إِلَى مَنَازِلِنَا فَتَتَلَقَّانَا أَزْوَاجُنَا فَيَقُلْنَ مَرْحَبًا وَأَهْلاً لَقَدْ جِئْتَ وَإِنَّ بِكَ مِنَ الْجَمَالِ أَفْضَلَ مِمَّا فَارَقْتَنَا عَلَيْهِ ‏.‏ فَنَقُولُ إِنَّا جَالَسْنَا الْيَوْمَ رَبَّنَا الْجَبَّارَ وَيَحِقُّنَا أَنْ نَنْقَلِبَ بِمِثْلِ مَا انْقَلَبْنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رَوَى سُوَيْدُ بْنُ عَمْرٍو عَنِ الأَوْزَاعِيِّ شَيْئًا مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏


২৫৫৩ | সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্‌ পাকের দীদার।

২৫৫৩. হান্নাদ (রহঃ) .... জারীর ইবন আবদুল্লাহ্ বাজালী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসা ছিলাম। তিনি সেই রাতের পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকালেন। বললেনঃ তোমাদেরকে অচিরেই তোমাদের পরওয়ারদিগারের সামনে পেশ করা হবে। আজকের এই চাঁদটি যেমন তোমরা দেখছ এবং তা দেখায় যেমন তোমাদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়নি তেমনি তোমরা তোমাদের রবকে নির্বিঘ্নে দর্শন করতে পারবে। সূর্যোদয়ের পূর্বের (ফজরের) সালাত (নামায) এবং সূর্যাস্তের পূর্বের (আসরের) সালাত (নামায) তোমরা আদায় করে নিবে। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ

سَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ

"তোমরা পরওয়ারদিগারের প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে।" [সুরা কাফঃ ৩৯]

সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৭৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي رُؤْيَةِ الرَّبِّ تَبَارَكَ وَتَعَالَى

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيِّ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَنَظَرَ إِلَى الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّكُمْ سَتُعْرَضُونَ عَلَى رَبِّكُمْ فَتَرَوْنَهُ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا الْقَمَرَ لاَ تُضَامُونَ فِي رُؤْيَتِهِ فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَصَلاَةٍ قَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَرَأََ‏:‏ ‏(‏سَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ ‏)‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏


২৫৫৪ | সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্‌ পাকের দীদার।

২৫৫৪. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে,(‏لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ) যারা নেক কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেক বদলা এবং আরো বেশী (ইউনুস ১০ঃ ২৬) সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতীগণ যখন জান্নাতে দাখিল হয়ে যাবে তখন এক আহবানকারী হেঁকে বলবেঃ আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য আরো ওয়াদা রয়েছে।

জান্নাতীরা বলবেঃ তিনি কি আমাদের চেহারা সমুজ্জ্বল করে দেন নি? আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দেননি এবং জান্নাতে দাখিল করেননি? আহ্বানকারী বলবেঃ অবশ্যই। অনন্তর (আল্লাহর দীদারের জন্য) পর্দা তুলে দেওয়া হবে। আল্লাহর কসম, আল্লাহর দীদার অপেক্ষা প্রিয় আর কোন জিনিস তিনি তাদের দিবেন না।

সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৮৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এই হাদীসটিকে মুসনাদ ও মারফু’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। সুলায়মান ইবন মুগীরা হাদীসটিকে ছাবিত বুনানী আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা (রহঃ) সূত্রে ইবন আবী লায়লা (রহঃ) এর বক্তব্য হিসাবে রিওয়ায়ত করেছেন।

بَابُ مَا جَاءَ فِي رُؤْيَةِ الرَّبِّ تَبَارَكَ وَتَعَالَى

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِه‏:‏ ‏(‏لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ)‏ قَالَ ‏"‏ إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ نَادَى مُنَادٍ إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ مَوْعِدًا ‏.‏ قَالُوا أَلَمْ يُبَيِّضْ وُجُوهَنَا وَيُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ قَالُوا بَلَى ‏.‏ قَالَ فَيُكْشَفُ الْحِجَابُ قَالَ فَوَاللَّهِ مَا أَعْطَاهُمْ شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ إِنَّمَا أَسْنَدَهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَرَفَعَهُ ‏.‏ وَرَوَى سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ وَحَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَوْلَهُ ‏.‏


২৫৫৫ | সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ এই বিষয়ে আর একটি অনুচ্ছেদ।

২৫৫৫. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সর্বনিম্ন দরজার জান্নাতীর উদ্যান, স্ত্রী, নিয়ামত, সেবক ও সিংহাসনসমূহ যে দেখতে চাইবে তার জন্য তা হাজার বছরের পথ। আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদার জান্নাতী হল যে জান্নাতী সকাল-বিকাল তাঁর চেহারার দীদার লাভ করবে।

এর পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়ায়ত করলেনঃ(‏وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ * إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ) সেদিন অনেক মুখমন্ডল হবে উজ্জ্বল। তারা তাদের পরওয়ারদিগারের প্রতি তাকিয়ে থাকবে (কিয়ামা ৭৫ঃ ২৩)

যঈফ, যঈফা ১৯৮৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

একাধিক সূত্রে হাদীসটি ইসমাঈল-ছুওয়ায়র-ইবন উমর (রাঃ) সনদে মারফূরূপে বর্ণিত আছে। আবদুল মালিক ইবন আবজার (রহঃ) এটিকে সুফইয়ান-ছুওয়ায়র-মুজাহিদ-ইবন উমর (রাঃ) সূত্রে ইবন উমর (রাঃ)-এর উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনিও এটিকে এটিকে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেননি। আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবন আলা (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে, কিন্তু তা মারফুরূপে তিনি বর্ণনা করেন নি।

بَابٌ مِنْهُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنِي شَبَابَةُ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ مَنْزِلَةً لَمَنْ يَنْظُرُ إِلَى جِنَانِهِ وَأَزْوَاجِهِ وَنَعِيمِهِ وَخَدَمِهِ وَسُرُرِهِ مَسِيرَةَ أَلْفِ سَنَةٍ وَأَكْرَمَهُمْ عَلَى اللَّهِ مَنْ يَنْظُرُ إِلَى وَجْهِهِ غُدْوَةً وَعَشِيَّةً ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏(‏وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ * إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ ثُوَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَرْفُوعٌ ‏.‏ وَرَوَاهُ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبْجَرَ عَنْ ثُوَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَوْقُوفٌ ‏.‏
وَرَوَى عُبَيْدُ اللَّهِ الأَشْجَعِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَوْلَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الأَشْجَعِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، نَحْوَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏.‏


৩১০৫ | সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ সূরা ইউনুস

৩১০৫. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্ তা’আলা এ বাণীঃ (لِلََّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ) যারা মঙ্গলকর কাজ করে তাদের জন্য আছে মঙ্গল এবং আরো অধিক (১০ঃ ২৬) প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতীরা যখন জান্নাতে দাখিল হবে তখন এ আহবানকারী ঘোষাণা দিবে আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য একটি ওয়াদাকৃত বস্তু রয়ে গেছে। তিনি তা তোমাদের জন্য পূরণ করে দিতে চান।

তারা বলবেঃ তিনি কি আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করে দেন নি? আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন নি এবং জান্নাতে দাখিল করেন নি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এরপর আল্লাহর হিজাব উন্মোচিত করে দেওয়া হবে। আল্লাহর কসম, তাদের কাছে তাঁর দীদারের চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আর কোন জিনিস আল্লাহ্ তা’আলা তাদের দেননি।

সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৮৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এর এ রিওয়ায়াতটি তাঁর বরাতে একাধিক রাবী এরূপ মারফূ’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। সুলায়মান ইবন মুগীরা এ হাদীসটি ছাবিত (রহঃ) সূত্রে আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা-এর উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু আনহু ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উল্লেখ করেন নি।

بَابٌ: وَمِنْ سُورَةِ يُونُسَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّّ ‏:‏ ‏(‏لِلََّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ ‏)‏ قَالَ ‏"‏ إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ نَادَى مُنَادٍ إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ مَوْعِدًا يُرِيدُ أَنْ يُنْجِزَكُمُوهُ قَالُوا أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ وَتُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ قَالَ فَيُكْشَفُ الْحِجَابُ ‏.‏ قَالَ فَوَاللَّهِ مَا أَعْطَاهُمُ اللَّهُ شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ هَكَذَا رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ مَرْفُوعًا ‏.‏ وَرَوَى سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَوْلَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ صُهَيْبٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏


১৮৪ | সুনানে ইবনে মাজাহ

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. জাহমিয়াহ্ সম্প্রদায় যা অমান্য করে

৮/১৮৪। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতবাসীরা তাদের ভোগ-বিলাসে মশগুল থাকবে, এমতাবস্থায় তাদের সামনে একটি নূরের আলোকচ্ছটা বিচ্ছুরিত হবে। তারা তাদের মাথা তুলে দেখতে পাবে যে, তাদের মহান প্রভু তাদের উপর দিক থেকে উদ্ভাসিত হয়েছেন। তিনি বলবেনঃ হে জান্নাতবাসীগণ! আসসালাম আলাইকুম (তোমাদের উপর অনন্ত শান্তি বর্ষিত হোক)।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটাই হল আল্লাহ্‌র বাণীর প্রমাণ (অনুবাদ) সালাম (অনন্ত শান্তি), পরম দয়ালু প্রভুর পক্ষ থেকে সম্ভাষণ- (সূরাহ ইয়াসিন ৩৬ঃ ৫৮)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি তাকাবেন এবং তারাও তাঁর প্রতি অপলক নেত্রে তাকাবে। জান্নাতীরা যতক্ষণ আল্লাহ্‌র দীদারে মশগুল থাকবে ততক্ষণ তারা অন্য কোন ভোগ-বিলাসের প্রতি ফিরেও তাকাবে না। অবশেষে তিনি তাদের দৃষ্টি থেকে অন্তর্হিত হবেন এবং তাঁর নূর ও বারাকাত তাদের জন্য তাদের আবাসে অবারিত থাকবে।

بَاب فِيمَا أَنْكَرَتْ الْجَهْمِيَّةُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ الْعَبَّادَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ الرَّقَاشِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ بَيْنَا أَهْلُ الْجَنَّةِ فِي نَعِيمِهِمْ إِذْ سَطَعَ لَهُمْ نُورٌ فَرَفَعُوا رُءُوسَهُمْ فَإِذَا الرَّبُّ قَدْ أَشْرَفَ عَلَيْهِمْ مِنْ فَوْقِهِمْ فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ ‏.‏ قَالَ وَذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ ‏(سَلاَمٌ قَوْلاً مِنْ رَبٍّ رَحِيمٍ)‏ قَالَ فَيَنْظُرُ إِلَيْهِمْ وَيَنْظُرُونَ إِلَيْهِ فَلاَ يَلْتَفِتُونَ إِلَى شَىْءٍ مِنَ النَّعِيمِ مَا دَامُوا يَنْظُرُونَ إِلَيْهِ حَتَّى يَحْتَجِبَ عَنْهُمْ وَيَبْقَى نُورُهُ وَبَرَكَتُهُ عَلَيْهِمْ فِي دِيَارِهِمْ ‏"‏ ‏.‏


 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
  
১৮৬ | সুনানে ইবনে মাজাহ

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. জাহমিয়াহ্ সম্প্রদায় যা অমান্য করে

১০/১৮৬। আবদুল্লাহ ইবনু ক্বায়স আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে রূপার তৈরি। আরও দুটি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে সোনার তৈরি। আদন নামক জান্নাতে জান্নাতীগণ ও তাদের বারাকাতময় মহান প্রভুর দীদার লাভের মাঝখানে তাঁর চেহারার উপর তাঁর গৌরবের চাঁদর ব্যতীত আর কোন প্রতিবন্ধক থাকবে না।

بَاب فِيمَا أَنْكَرَتْ الْجَهْمِيَّةُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الصَّمَدِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ الأَشْعَرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ جَنَّتَانِ مِنْ فِضَّةٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا وَجَنَّتَانِ مِنْ ذَهَبٍ آنِيَتُهُمَا وَمَا فِيهِمَا وَمَا بَيْنَ الْقَوْمِ وَبَيْنَ أَنْ يَنْظُرُوا إِلَى رَبِّهِمْ تَبَارَكَ وَتَعَالَى إِلاَّ رِدَاءُ الْكِبْرِيَاءِ عَلَى وَجْهِهِ فِي جَنَّةِ عَدْنٍ ‏"‏ ‏.‏


 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
  
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
  
১৮৭ | সুনানে ইবনে মাজাহ

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. জাহমিয়াহ্ সম্প্রদায় যা অমান্য করে

১১/১৮৭। সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) যারা কল্যাণকর কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং আরো অধিক- (সূরাহ ইউনুস ১০ঃ ২৬)। অতঃপর তিনি বলেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করার পর এক ঘোষণাকারী ডেকে বলবেঃ জান্নাতবাসীগণ! নিশ্চয় তোমাদের জন্য আল্লাহ তাআলার একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি এখন পূর্ণ করবেন। তারা বলবে, তা কী? আল্লাহ তাআলা কি আমাদের (সৎ কর্মের) পাল্লা ভারী করেননি, আমাদের চেহারাগুলো আলোকিত করেননি, আমাদেরকে জান্নাতে দাখিল করেননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তখন আল্লাহ তাআলা আবরণ উন্মুক্ত করবেন এবং তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ তাদেরকে তার দীদারের চাইতে অধিক প্রিয় ও অধিক নয়নপ্রীতিকর আর কিছু দান করেননি।

بَاب فِيمَا أَنْكَرَتْ الْجَهْمِيَّةُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، قَالَ تَلاَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ هَذِهِ الآيَةَ ‏(لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ)‏ وَقَالَ ‏"‏ إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ نَادَى مُنَادٍ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ مَوْعِدًا يُرِيدُ أَنْ يُنْجِزَكُمُوهُ ‏.‏ فَيَقُولُونَ وَمَا هُوَ أَلَمْ يُثَقِّلِ اللَّهُ مَوَازِينَنَا وَيُبَيِّضْ وُجُوهَنَا وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَيُنْجِنَا مِنَ النَّارِ قَالَ فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ فَيَنْظُرُونَ إِلَيْهِ فَوَاللَّهِ مَا أَعْطَاهُمُ اللَّهُ شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَيْهِ وَلاَ أَقَرَّ لأَعْيُنِهِمْ ‏"‏ ‏.‏


 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
 
 বর্ণনাকারীঃ সুহায়ব আর্ রূমী (রাঃ)
 
 পুনঃনিরীক্ষণঃ 
  
১৯০৫ | রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)

পরিচ্ছেদঃ ৩৭২ : আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের জন্য জান্নাতের মধ্যে যা প্রস্তুত রেখেছেন

১৭/১৯০৫। সুহাইব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘জান্নাতিরা যখন জান্নাতে প্রবেশ করে যাবে, তখন মহান বরকতময় আল্লাহ বলবেন, ‘তোমরা কি চাও যে, আমি তোমাদের জন্য আরও কিছু বেশি দিই?’ তারা বলবে, ‘তুমি কি আমাদের মুখমণ্ডল উজ্জ্বল করে দাওনি? আমাদেরকে তুমি জান্নাতে প্রবিষ্ট করনি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দাওনি?’ অতঃপর আল্লাহ [হঠাৎ] পর্দা সরিয়ে দেবেন [এবং তারা তাঁর চেহারা দর্শন লাভ করবে]। সুতরাং জান্নাতের লব্ধ যাবতীয় সুখ-সামগ্রীর মধ্যে জান্নাতিদের নিকট তাদের প্রভুর দর্শন [দীদার]ই হবে সবচেয়ে বেশী প্রিয়।’’ (মুসলিম) [1]

মহান আল্লাহ বলেছেন,

﴿إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ يَهْدِيهِمْ رَبُّهُمْ بِإِيمَانِهِمْ ۖ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهِمُ الْأَنْهَارُ فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ٩ دَعْوَاهُمْ فِيهَا سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَتَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَامٌ ۚ وَآخِرُ دَعْوَاهُمْ أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ١٠ ﴾ [يونس : ٩، ١٠]

অর্থাৎ নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস করেছে এবং ভাল কাজ করেছে তাদের প্রতিপালক তাদের বিশ্বাসের কারণে তাদেরকে পথ প্রদর্শন করবেন, শান্তির উদ্যানসমূহে তাদের [বাসস্থানের] তলদেশ দিয়ে নদীমালা প্রবাহিত থাকবে। সেখানে তাদের বাক্য হবে, ‘সুবহানাকাল্লাহুম্মা’ [হে আল্লাহ! তুমি মহান পবিত্র]! এবং পরস্পরের অভিবাদন হবে সালাম। আর তাদের শেষ বাক্য হবে, ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন’ [সমস্ত প্রশংসা সারা জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য]। (সূরা ইউনুস ৯-১০]

الحَمْدُ للهِ الَّذِي هَدَانَا لِهَذَا وَمَا كُنَّا لِنَهْتَدِي لَوْلاَ أَنْ هَدَانَا اللهُ . اَللهم صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُولِكَ النَّبيِّ الأُمِّيِّ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ وَأزوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كما صَلَّيْتَ عَلَى إبْرَاهِيمَ وعلى آلِ إبْراهِيمَ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبيِّ الأُمِّيِّ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ وَأزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كما بَاركْتَ عَلَى إبْرَاهِيمَ وَعَلَى آل إبراهيم في العالَمِينَ إنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ .

(372) بَابُ بَيَانِ مَا أَعَدَّ اللهُ تَعَالٰى لِلْمُؤْمِنِيْنَ فِي الْجَنَّةِ

وَعَنْ صُهَيبٍ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الجَنَّةِ الجَنَّةَ يَقُولُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: تُريدُونَ شَيئاً أَزِيدُكُمْ ؟ فَيَقُولُونَ : أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا ؟ أَلَمْ تُدْخِلْنَا الجَنَّةَ وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ ؟ فَيَكْشِفُ الحِجَابَ، فَمَا أُعْطُوا شَيْئاً أَحَبَّ إلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إلَى رَبِّهِمْ».رواه

1 comment:

Powered by Blogger.